​বিভিন্ন ফেরকা বা মতবাদের উৎপত্তি

বিসমিল্লাহর রহমানির রহিম
ইসলামে তৃতীয় খলিফা হযরত সৈয়্যদুনা ওসমান গণি যিননুরাঈন (রাদ্বিয়াল্লাহু তা”য়ালা আনহু) ওনার দীর্ঘ খেলাফতকালে ইসলামের চিরশত্রু ইয়াহুদি – নাসারা ও কাফের চক্র মুসলমানদের বিরুদ্ধে নানাবিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়।

আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা নামক জনৈক ইয়াহুদী মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য ও দলাদলি সৃষ্টির লক্ষ্যে নামমাত্র ইসলাম গ্রহন করে ।

অতঃপর সে তার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে কাজ শুরু করে।

অল্প দিনের মধ্যে সে বিভিন্ন স্থানে তার ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করতে সক্ষম হয় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মুসলমানদেরকে তার খপ্পরে ফেলতে সামর্থ হয়।

তার অনুসারীগণ প্রথম দিকে ‘সাবায়ী’ নামে চিহ্নিত হয়।

তারই ষড়যন্ত্রে তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান গণি রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আন হু শাহাদাত বরণ করেন ।

অতঃপর ইসলামের চতুর্থ খলিফা সৈয়্যদুনা মাওলা আলী মুরতাযা (রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আন হু) এর খিলাফতকালে হযরত ওসমান গণি রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আনহু ওনার শাহাদাত কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অস্থিরতার সূচনা হয়।

একদিকে মুসলমানদের মধ্যে বিশৃঙ্খলা চরম আকার ধারণ করে, অন্যদিকে গোপনে গোপনে তৃতীয় অপশক্তি আব্দুল্লাহ ইবনে সা বার দল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে ।

অবশেষে হযরত আলী ও হযরত আমীরে মোয়াবীয়া( রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু) ওনার মধ্যে সমঝোতা চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হলে এ অপশক্তি উভয়ের অজ্ঞাতসারে পরিকল্পিত পন্থায় সমঝোতার পথ রুদ্ধ করে দেয়।

তখনও ষড়যন্ত্রকারী শক্তি হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু) ওনার অজ্ঞাতসারে দলেই আত্মগোপন করে অবস্থান করছিল।

অতঃপর হযরত আলী ও হযরত মোয়াবীয়া রাদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু এর বিরোধ মীমাংসার পদক্ষেপ হিসেবে দুজন সাহাবী , হযরত আবু মূছা আশআরী ও হযরত আমর ইবনুল আস ( রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) কে সালিশ মনোনীত করা হলে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আনহু ) ওনার দলে আত্মগোপনকারী ইবনে সাবার অনুসারীগণ আল্লাহ ছাড়া অপর কাউকে বিচারক মানার অভিযোগে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) কে কাফির ফতোয়া দিয়ে প্রকাশ্যে তাঁর দল থেকে খারিজ বের হয়ে যায়।

ইসলামের ইতিহাসে এরা ‘খারেজী ‘(দল ত্যাগকারী ) হিসেবে পরিচিত ।

এরাই ইসলামের আর্বিভূত প্রথম ভ্রান্ত দল।

ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতা সুযোগে হযরত আলী (রাদ্বীয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) ওনার প্রতি অতিভক্তি প্রদর্শনকারী আরেকটি দলের সৃষ্টি হয় ।

ইতিহাসে এরা ‘শিয়া’ নামে পরিচিত ।

খারেজী ও শিয়া উভয়ের আত্মপ্রকাশ প্রথম দিকে রাজনৈতিক কারণে হলেও পরবর্তীতে এরা কোরআন সুন্নাহর পরিপন্থী জঘন্য কুফরী আক্বীদা পোষণ করতে আরম্ভ করে। 

কাল ক্রমে , এ দু’দল আরো অনেক উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ে।

এ ছাড়াও পরবর্তীতে অসংখ্য ফিরকায় উদ্ভব হয়েছে ।

এর মধ্যে যে আক্বিদা আমাদের পোষণ করা ফরজ তা ,আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আক্বিদা,

Like my Facebook page

মজমুমায়ে সালাওয়াতে রাসুল صلى الله عليه وسلم ১ম ১০পারা

আসসালামু আলাইকুম
“”””””””””””””””””””””””””'”
ডাউনলোড করে নিন
খাজা আবদুর রহমান চৌহরবী ﺭﺣﻤﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ
এর লিখিত ৩০দরূদ শরীফ মজমুমায়ে সালাওয়াতে রাসুল ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ এর
১০পারা ফ্রি ডাউনলোড করে নিন
নিচের লিঙ্ক থেকে এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না

মজমুমায়ে সালাওয়াতে রাসুল ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ এর ১০ পারা

নামাজের ইক্বামত দিলে কখন দাড়াতে হয়

আসসালামু আলাইকুম
ডাউনলোড করে নিন নামাজে কখন দাড়াতে হয় সেই সম্পর্কিত বই
ফ্রি ডাউনলোড করে নিন এবং শেয়ার করতে ভুলবেন না

ইক্বামতে কখন দাড়াতে হয়

শাজরা শরীফ

আসসালামু আলাইকুম
শাজরা শরীফ সিলসিলায়ে ক্বাদেরীয়া আলিয়া
নিচের লিঙ্ক থেকে ডাউনলোড করে নিন
https://onedrive.live.com/redir?resid=C80D53B0E138CFF4!111&authkey=!ACRjug7vvIPB-z0&ithint=file%2cpdf
শাজরা শরীফ

ওয়াজ করতে করতে মৃত্যু

আরো সুন্নী আকীদা ভিত্তিক ভিডিও ও বই পেতে এইখানে ক্লিক করুন

Facebook

Abdullah AL Yusuf Quaderi

আপনার ব্যাজ তৈরী করন

YouTube এ “ইলমে গায়ব এর দলীল” দেখুন

ঈদে মিলাদুন্নবী(দ)

উত্‍স: ঈদে মিলাদুন্নবী(দ)

ঈদে মিলাদুন্নবী(দ)

image

আমার ব্লগ

প্রশ্নঃ অনেক বাতেল ফেরকার অজ্ঞ মৌলবীরা বলে থাকে, ঈদে মীলাদুন্নাবী (দ) উপলক্ষে জশনে জুলুস, মিলাদ মাহফিল, খানা পিনা, দান ছদকা ইত্যাদির মাধ্যমে আনন্দ উত্সব পালনের কোন বিধান শরীয়তে নেই। এবং ঈদে মিলাদুন্নাবী (দঃ) বেদআত বলে আল্লাহর পক্ষ থেকে এত বড় নেয়ামতকে নিজেরাই বঞ্চিত থাকে অপরকেও বঞ্চিত করতে চাই।

পবিত্র কোরআনের আলোকে ঈদে মীলাদুন্নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপনের বৈধতার উপর আলোচনা জন্য অনুরুধ রইলো।
===============≠======≠===≠=

উত্তরঃ রবিউল মাসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বেলাদত শরীফ ও শুভাগমনকে কেন্দ্র করে জশনে জুলুছ, আলোচনা, সেমিনার, খানাপিনা. সদকাহ খায়রাত, দরুদ্ধ,সালাম, দোয়া মোনাজাতসহ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভাগমের ঘটনাবলী ও নূরানী আদর্শ আলোচনা করাকে ঈদে মীলাদুন্না (দঃ) বলা হয়।

ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে নিংসন্দেহে একে মুস্তাহাব, কোরআন ও হাদিস সমর্থিত পূণ্যময় ইবাদত।
সলফে সালেহীন ও বর্জুগানে দ্বীনের সুন্নাত ও উত্তম আমল।
এ ব্যাপারে প্রতিযুগে বিশ্ববরেণ্য ইমামগণ আরবী উর্দু ফার্সী ভাষায় নির্ভরযোগ্য কিতাব রচনা করেছেন।
এখানে নবী বিদ্বেষীদ ভন্ড়ামী নিরসনে ঈদে মিলাদুন্নাবী (দঃ) উদযাপনের বৈধতার উপর পবিত্র কোরআনের কিছু প্রমাণাদি উল্লেখ করা হলঃ
মানুষ যখন কোন নিয়ামত প্রাপ্ত হয় তখন আনন্দ উত্সব করা যেমন তার স্বভাবজাত কাজ তেমনি আল্লাহর নিদের্শও তাই। যেমন পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে-
“হে হাবীব! আপনি (বিশ্ববাসীকে) বলুন আল্লাহর অনুগ্রহ ও তারই দয়া স্মরণ করে সেটার উপর তারা যেন অবশ্যই আনন্দ প্রকাশ করে, তা তাদের সঞ্চয়কৃত সমস্ত ধন সম্পদ অপেক্ষা অধিক শ্রেয়”। [সূরাঃ ইউনুস, আয়াতঃ ৫৮]
উল্লেখিত আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লাম জালালউদ্দীন সূয়ূতী রহঃ আদ দুররুল মনসুর তফসীর গ্রন্হে উল্লেখ করেছেন- হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ এ আয়াতের তফসীরে বরেন এখানে আল্লাহর অনুগ্রহ বলতে ইলমে দ্বীনকে বুঝানো হয়েছে আর রহমত দ্বারা প্রিয় মাহবুব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বুঝানো হয়েছে।
যেমন আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন হে হাবীব আমি তো আপনাকে সমগ্র জগতের জন্য রহমত রূপেই প্রেরণ করেছি।
ইমাম আলুসী রুহুল মাআনী ১০ খন্ড়ের ১৪১ পৃষ্টায়, ইমান আবূ সাউদ তার তাফসীর গ্রন্হে আর ইমাম রাজী তাফসীর কবির গ্রন্হে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা আরো ইরশাদ করেন- “তাদেরকে আল্লাহর দিবসসমূহ স্মরন করিয়ে দাও নিশ্চয় এ গুলোর মধ্যে নিদর্শনানি রয়েছে প্রত্যেক ধৈর্ষশীশ, কৃতজ্ঞ বান্দাদের জন্য” [সূরা ইব্রাহীমঃ ৫]
উপরোক্ত আয়াতে করিমায় বিশেষ বিশেষ আল্লাহর নেয়ামত ও ঘটনাবলী অবতীর্ণের দিবসগুলোকে আইয়্যামিল্লাহ তথা আল্লাহর বিশেষ দিবস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে এবং ওই বিশেষ দিবসগুলোকে বিশেষভাবে স্মরণ করার জন্য আদেশ প্রদান করা হয়েছে। এ পৃথীবীতে আল্লাহর প্রিয় মাহবুবের শুভাগমের দিবসের চেয়ে সর্বোত্তম বিশেষ পূণ্যময় দিবস আর কোনটি হতে পারে?
যেমন আলহাবী লিল ফতোয়ায় ইমাম জালাল উদ্দীন সূয়ূতী রহঃ উল্লেখ করেছেন- “আই নবীয়্যি আ জামু মিন বুরুজি হাজান নবীয়্যি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম,”
অর্থাতঃ এ মহান রহমতের নবী হুজুর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীর বুকে আগমন করার চেয়ে অন্য কোন নেয়ামত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে? অর্থাত্ কখনো হতে পারেনা।
হুজুর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শুভাগম আল্লাহর সর্বোত্তম নেয়ামত।
ওই মহান নেয়ামতকে শ্রদ্ধ্রার সাথে স্মরণ করার জন্য ঈদে মীলাদুন্নাবী দঃ এর আয়োজন।
প্রিয়নবীর শুভাগমনের মাস, দিন ও মুহুর্তকে স্মরণ করা ইসলামী শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
এটা সলফে সালেহীন ও বুযুর্গানে দ্বীনের প্রচলিত নীতি, বিশ্ববরণ্য ফোকাহায়ে কেরামের দৃষ্টিতে এটা মুস্তাহাব ও অনেক মঙ্গলময় সওয়াবজনক ইবাদত এবং পবিত্র কোরআনের অসংখ্যা আয়াতের বাস্তব আমল।
সর্বোপরি সুন্নাতে মালাইকা ও সুন্নাতে এলাহি। তাই এটাকে ভক্তিভরে শ্রদ্ধার সাথে জাঁকজমকে উদযাপন করা ঈমানী জজবা ও প্রিয় নবীর প্রতি ভক্তি- শ্রদ্ধা নিবেদনের বহিঃপ্রকাশ।
[আলহাবী লিল ফতোয়া কৃতঃ ইমাম জালাল উদ্দীন সূয়ূতী রাহঃ এবং তাফসীরে কবীর কৃতঃ ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রাহঃ]
আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান আল ক্বাদেরী (মাঃজিঃআঃ)
প্রধান ফিকহঃ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া আলিয়া।
সংগ্রহেঃ মাসিক তরজুমান
শেয়ার করতে ভূলবেন না।

Watch “Aayqadri” on YouTube

Posted from WordPress for Android